সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ১৫ই ফাল্গুন ১৪২৬ | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা সংখ্যালঘুদের প্রতিশ্রুতি পূরণে সিএএ

বুধবার, জানুয়ারী ২৯, ২০২০

b1.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) নিয়ে উত্তাল গোটা ভারত। এমন অবস্থায় আরো একবার সিএএ নিয়ে সাফাই গাইলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার এক সমাবেশে তিনি সিএএ এর পক্ষ নিয়ে বলেন, ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের সময়ই মানুষকে বিভক্ত করা হয়েছে।

দিল্লির ওই সমাবেশে তিনি বলেন, ‘ঐতিহাসিক অবিচার সংশোধন করতে এবং প্রতিবেশী দেশগুলি থেকে বিতাড়িত হয়ে আসা সংখ্যালঘু মানুষদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে। দেশ ভাগের সময় ভারত জুড়ে একটি রেখা টানা হয়েছিল যা মানুষকে বিভক্ত করে দিয়েছে।’

নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘দেশ যখন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, তখন যারা দেশ চালাত জওহরলাল নেহেরু, লিয়াকত সকলেই ভারতের দলিত, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার কথা বলেছিলেন। এমনকি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং সংরক্ষণের বিষয়ে গান্ধিজিও একই কামনা করেছিলেন। তাদের সেই আশা পূরণ করতেই বর্তমান সরকার সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন চালু করেছে।’

এদিন দিল্লির সভা থেকে সিএএ বিরোধী দল গুলোকেও কটাক্ষ করে মোদি বলেন, সিএএ বিরোধীতার নামে বিরোধী দলগুলো ভোট ব্যাংকের রাজনীতি শুরু করেছে।

তিনি বলেন, ‘কেন তারা নৃশংসতা লক্ষ্য করে না, কেন তারা নৃশংসতা উপেক্ষা করছে, সিএএ নিয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া জানানো দরকার। কেউ কেউ দলিতদের কণ্ঠস্বর হিসাবেও কাজ করছেন। অথচ সেই একই লোক যারা পাকিস্তানে দলিতদের উপর হওয়া অত্যাচার উপেক্ষা করছে। তারা ভুলে গিয়েছে যে, পাকিস্তান ছেড়ে ভারতে চলে আসা বেশিরভাগ নির্যাতিতাই দলিত।’

মোদি বলেন, ‘সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা গোটা বিশ্বে আমার সুনামকে প্রভাবিত করেছে বলে বিরোধীরা প্রচার চালাচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ধারণা। এই গুজব ছড়ানোর আগে তাদের বুঝতে হবে আমি নিজের খ্যাতি-সুনামের জন্য কোনো কাজ করি না। যা করি তা আমি দেশের সম্মান বৃদ্ধির জন্যই করি।’

এদিকে সম্প্রতি সিএএ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তাদের মতে, ভারতের এই ঘটনা বিশ্বের অন্যান্যদের মধ্যেও বৃহত্তম রাষ্ট্রহীনতা সঙ্কট তৈরি করবে। এছাড়া ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের ডেমোক্রেসি ইনডেক্সে ভারত আরও ১০ ধাপ পিছিয়ে গিয়েছে।


ঢাকা, বুধবার, জানুয়ারী ২৯, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // কে এইচ এই লেখাটি ২৬২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন