সর্বশেষ
রবিবার ২২শে চৈত্র ১৪২৬ | ০৫ এপ্রিল ২০২০

পেইনকিলারে বাড়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি

বুধবার, জানুয়ারী ২৯, ২০২০

181.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ সেবনে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমপক্ষে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। একটি নতুন গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।ব্রিটিশ গবেষকরা বলছেন, নিয়মিত পেইনকিলার সেবন হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়া ধূমপায়ী, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের এবং যাদের রক্তে কোলেস্টরলের মাত্রা বেশি, তাদের ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণ করাই উচিত নয় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

৬৩ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের উপর চালানো একটি গবেষণায় এসব জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া ডিক্লফেন্স, ভলটারিন এবং সোলারেজের মতো ব্যথানাশক ঔষধগুলো এই সমস্যা তৈরি করে। ডিক্লফেন্স একটি নন স্টেরিওডাল অ্যান্টি ইনফ্ল্যাসেন্টরি ড্রাগ। বয়স্কদের জ্বর এবং দাতব্যথা উপষমে এই ওষুধ ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও শিশুদের হাড়ের ব্যাথায়ও এই ওষুধ ব্যবহার হয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এক সমীক্ষায় জানিয়েছে, যারা ব্যথানাশক অর্থাৎ ডাইক্লোফেন জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করছেন, তারা অন্যদের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেশি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। গবেষকদের ভাষ্য, কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ডাইক্লোফেনাক জাতীয় পেইনকিলার চরম মাত্রায় হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়ে থাকে। আর যাদের স্ট্রোক সমস্যায় আগে থেকে ভুগছেন নিয়মিত পেইনকিলার সেবনের ফলে তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি দ্বিগুণ আকারে বাড়তে থাকে।

ব্রিটেনের মেডিসিন অ্যান্ড হেলথকেয়ার প্রোডাক্ট রেগুলেটরি এজেন্সির (এমএইচআরএ) উপ-পরিচালক ড. সারাহ ব্রাঞ্চ বলেন, অনেক রোগীর ক্ষেত্রে ডাইক্লোফেনাক তাৎক্ষণিক ব্যথা নিবারণ করে। যেহেতু ব্যথানাশকের ঝুঁকির বিষয়টি আমাদের জানা, তাই এ ওষুধ গ্রহণ জরুরি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।বিশেষজ্ঞদে র দাবি, যারা হৃদরোগ ও স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের পুরোপুরিই এসব ওষুধ গ্রহণ বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

সূত্র: ডেইলি মেইল।


ঢাকা, বুধবার, জানুয়ারী ২৯, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এস আর এই লেখাটি ৩৬০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন