সর্বশেষ
শনিবার ২৭শে আষাঢ় ১৪২৭ | ১১ জুলাই ২০২০

বান্দরবানের কয়েকটি আকর্ষণীয় স্থান

শুক্রবার, জানুয়ারী ৩১, ২০২০

nilgiri.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :

সময় পেলে পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধবকে সাথে নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন বান্দরবান থেকে। যেখানে নীল আকাশ, পাহাড়ি নদী এবং অনাবিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনার মনকে দেবে প্রশান্তি।

চলুন জেনে নেয়া যাক বান্দরবানের কয়েকটি আকর্ষণীয় স্থান সম্পর্কেঃ

নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র:

নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র বান্দরবান জেলার নীলগিরি পাহাড়চূড়ায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এটিকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২২০০ ফুট উঁচুতে অবস্থানের কারণে নীলগিরি পর্যটন কেন্দ্র প্রায় সবসময়ই মেঘমণ্ডিত থাকে। আর এটিই এই পর্যটন কেন্দ্রের বিশেষ আকর্ষণ। একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে নীলগিরি ধীরে ধীরে দেশব্যাপী মানুষের কাছে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে শুরু করে। এই পর্যটন কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করেছে বাংলাদেশে সেনাবহিনী এবং তারাই এর পরিচালনা করে থাকে।

বগা লেক:

বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর প্রাকৃতিক লেক বলা হয়ে থাকে বগা লেককে। এই লেকটি বাগাকাইন বা বাগা লেকেইস নামেও পরিচিত। বান্দরবানের রুমা সদর উপজেলা থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে বগা লেকের অবস্থান। প্রায় ১৫ একর আয়তনের এই লেকটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত। বগা লেকের আশপাশে আদিবাসী বাউম ও খুমি সম্প্রদায়ের বসবাস।বিশ্বাস করা হয়ে থাকে যে, দুই হাজার বছর আগে শক্তিশালী এক ভূমিকম্প থেকে বগা লেক সৃষ্টি হয়েছিল। এছাড়া বগা লেকের সৃষ্টির পেছনে নানা ধরনের অতিপ্রাকৃতিক কল্পকাহিনীও শোনা যায়।

বান্দরবান স্বর্ণমন্দির:

বর্তমানে বান্দরবান জেলার অন্যতম দর্শনীয় স্থান হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে স্বর্ণমন্দির। বান্দরবান জেলা সদর থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে বালাঘাট এলাকায় অবস্থিত এই স্বর্ণমন্দির। এটি মহাসুখ মন্দির বা বৌদ্ধ ধাতু জাদি নামেও বহুল পরিচিত। এর নাম স্বর্ণ মন্দির হলেও, এখানে স্বর্ণ দিয়ে তৈরি কোনো স্থাপনা নেই। মূলত মন্দিরে সোনালী রঙের আধিক্যের কারণেই এটি স্বর্ণ মন্দির নামে পরিচিত। এই মন্দিরটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র এক তীর্থস্থান।

নাফাখুম জলপ্রপাত:

বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রি ইউনিয়নে এই জলপ্রপাতটি অবস্থিত। বান্দরবান শহর থেকে ৭৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত থানচি। সাঙ্গু নদীর পাড়ে অবস্থিত থানচি বাজার। এই সাঙ্গু নদী ধরে রেমাক্রীর দিকে ধীরে ধীরে উপরে উঠতে হয় নৌকা বেঁয়ে। কারণ নদীটি রেমাক্রী হতে থানচির দিকে ধীরে ধীরে ঢালু হয়ে এসেছে এবং এজন্য এখানে অনেক স্রোত থাকে। নদীর কিছুদূর পর পর ১-২ ফুট এমনকি কোথাও কোথাও ৪/৫ ফুট পর্যন্ত ঢালু হয়ে নিচে নেমেছে। নদীর দুপাশে রয়েছে সবুজে মোড়ানো উঁচু উঁচু পাহাড়। কোনো কোনো পাহাড় এতই উঁচু যে তার চূড়া ঢেকে থাকে মেঘের আস্তরে।প্রকৃতির এমন অপরূপ সৌন্দর্য যে কারও নজর কাড়বে নিঃসন্দেহে। রেমাক্রী থেকে তিন ঘণ্টার হাঁটা পথ দূরত্বে নাফাখুম জলপ্রপাত।

 


ঢাকা, শুক্রবার, জানুয়ারী ৩১, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // রি সু এই লেখাটি ৫৬৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন