সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ২১শে জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ | ০৪ জুন ২০২০

আরও ৮ জেলার প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২০

unnamed.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

আরও ৮টি জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর ৬ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে এসব জেলার মধ্যে ফরিদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলায় পাঠানো নিয়োগপত্রের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নাটোর, পাবনা, গাইবান্ধা, পটুয়াখালী, গোপালগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জ জেলার নিয়োগ কার্যক্রম সরাসরি স্থগিত করেছেন আদালত।

পৃথক কয়েকটি রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. মাহমুদ হাসান তালুকদারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আসাদ উদ্দিন, জামিউল হক ফয়সাল ও আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুর্টি অ্যার্টনি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আসাদ উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, এরই মধ্যে ফরিদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলায় চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণদের নিয়োগপত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আদালত এই নিয়োগপত্রের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। এ কারণে ওই নিয়োগপত্রের ভিত্তিতে আপাতত কেউ চাকরিতে যোগদান করতে পারবেন না। আদালত এ বিষয়ে রুলও জারি করেছেন। বাকি জেলাগুলোতে এখনও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। এ কারণে ওইসব জেলায় নিয়োগ কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৩ এর ৭ ধারা অনুযায়ী সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদে ৬০ শতাংশ মহিলা, ২০ শতাংশ পৌষ্য এবং বাকি বিশ শতাংশ সাধারণ প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে হবে। কিন্তু ২০১৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর ঘোষিত ফলাফলে সেটা অনুসরণ করা হয়নি। তাই ওই ফলাফলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করা হয়।

দেশে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১৮ হাজার ১৪৭ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচন করে গত বছর ২৪ ডিসেম্বর ফল প্রকাশ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই ফল বাতিল চেয়ে একের পর এক রিট আবেদন করা হচ্ছে।


ঢাকা, মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ৪, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ৬২৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন