সর্বশেষ
বুধবার ৮ই আশ্বিন ১৪২৭ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

জেনে নিন নাইট-শিফট’য়ের কাজের ক্ষতিকর দিক

বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২০

iStock_75895989_SMALL.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

যারা ‘শিফট’ ভিত্তিক চাকরি করেন তাদের ঘুম ও বিপাকক্রিয়াজনীত সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা উল্লেখযোগ্য হারে বেশি। আর এই সমস্যাগুলো একজন মানুষকে ক্রমেই ঠেলে দিতে থাকে হৃদরোগ, ‘স্ট্রোক’ এবং ‘টাইপ টু ডায়াবেটিস’য়ের দিকে।

গবেষকরা বলেন, রাতের ‘শিফট’য়ে কাজ করার কারণে শরীরের স্বাভাবিক চক্র, যাকে বলা হয় ‘সার্কাডিয়ান রিদম’, তাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এই চক্রই নিয়ন্ত্রণ করে স্নায়ু ও হরমোনজনীত ইঙ্গিত।

‘সার্কাডিয়ান রিদম’য়ে বিশৃঙ্খলার কারণে ঘুম ও জেগে থাকার চক্র তাল হারালে নষ্ট হয় হরমোনের ভারসাম্য, বেড়ে যায় ‘কর্টিসল’, ‘ঘ্রেলিন’ ও ‘ইন্সুলিন’। আর কমে যায় ‘সেরোটনিন’ ও অন্যান্য হরমোন।”

বিশেষত যারা রাতের ‘শিফট’য়ে কাজ করেন তাদের এই ঝুঁকির মাত্রা বেশি। আবার যাদের ‘শিফট’য়ের সময় নিয়ত পরিবর্তনশীল তাদের ঘুম ও বিপাকক্রিয়াজনীত সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা আরও বেশি।

গবেষণার প্রধান লেখক, যুক্তরাষ্ট্রের ‘তৌরো ইউনিভার্সিটি’র ভারতীয় বংশদ্ভুত গবেষক শামা কুলকার্নি বলেন, সমাজের নিরাপত্তা ও আর্থসামাজিক অবস্থা অনেকাংশে রাতের ‘শিফট’য়ে কর্মরত কর্মীদের উপর নির্ভরশীল। তাই তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা জরুরি একটি বিষয়।

এক গবেষণায় আমরা জানতে পারি রাতের ‘শিফট’য়ে কাজ করেন এমন নার্সদের নয় শতাংশ আক্রান্ত হন বিপাকক্রিয়াজনীত বিভিন্ন সমস্যায়। তবে দিনের ‘শিফট’য়ে কাজ করা নার্সদের মধ্যে এই সমস্যায় আক্রান্ত হয় মাত্র ১.৮ শতাংশ। অন্যান্য গবেষণা বলে, যত বেশি সময় এই ‘শিফট’ ভিত্তিক কাজ করা হয়, ততই ঝুঁকির মাত্রা বাড়ে।

হরমোনের এই ভারসাম্যহীনতাই বিপাকক্রিয়াজনীত সমস্যা তৈরি করে এবং ডেকে আনে একাধিক দীর্ঘমেয়াদী রোগ। তাই ‘শিফট’ ভিত্তিক কর্মীদের উচিত হবে প্রতিদিন একই সময়ে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো এবং ঘুমানোর সময়টা সন্ধ্যা কিংবা রাতের যতটা সম্ভব কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করা। এতে ‘সার্কাডিয়ান রিদম’য়ে বিশৃঙ্খলার মাত্রা কমবে।


ঢাকা, বুধবার, ফেব্রুয়ারী ৫, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ৩৯৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন