সর্বশেষ
সোমবার ২৯শে আষাঢ় ১৪২৭ | ১৩ জুলাই ২০২০

লক্ষ্য পূরণের কৌশল

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২০

new-year-3669170_640.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

মানুষ যখন প্রথমবারের মতো নিজের জীবনের লক্ষ্য স্থির করে তখন তার পেছনের মূল চালিকাশক্তি হয় সেই লক্ষ্য অর্জনের ফলাফল হিসেবে আসা প্রাপ্তিগুলো। তবে সেই পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য পরিকল্পনা মাফিক যখন কাজ করার পরই মানুষের মনযোগ যায় সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিশ্রম ও বাধা-বিপত্তিগুলোর প্রতি।

গবেষকরা বলেন, বাস্তবায়ন যোগ্য জীবনের লক্ষ্যের মূলমন্ত্র হল যখন লক্ষ্য স্থির করবেন তখনই ভাবতে হবে এর পেছনে কতটা পরিশ্রম করতে হবে সেটার হিসেব করা। আর সেই অনুযায়ী পরিশ্রম শুরু করার পরও যখনই মনে হবে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন, তখনই মনযোগ দিতে হবে প্রাপ্তিগুলোর দিকে।

গবেষণার প্রধান, যুক্তরাজ্যের কুইন ম্যারি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডনের আগাথা লুডউইজাক বলেন, আমরা গবেষণায় দেখেছি, যেকোনো কাজে সফলতার প্রাপ্তি আর তা পাওয়ার জন্য একজন মানুষের পরিশ্রমের মধ্যে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। এর কারণ হল, যখন লক্ষ্য অর্জনের জন্য মানুষ পরিশ্রম করার সিদ্ধান্ত নেয় তখন তাদের অনুপ্রেরণা যোগায় কাঙ্ক্ষিত প্রাপ্তিগুলো। তবে যখন পরিশ্রম করার সময় আসে তখনই অনুধাবন করা যায় সেই পরিশ্রমের পরিমাণ। তখন মনযোগ আটকে থাকে পরিশ্রমের মাত্রায়, প্রাপ্তির অনুপ্রেরণা তখন আর কাজ করেনা।

পরিশ্রম আর প্রাপ্তির মধ্যকার সম্পর্ক তদন্ত করতে গবেষণকরা বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষার সাজান যা তুলে ধরবে দুই ধরনের পরিশ্রমের মাত্রা, শারীরিক পরিশ্রম আর মানসিক পরিশ্রম। শারীরিক পরিশ্রমের মাত্রা পরিমাপ করা হয় ‘জয়স্টিক’ ব্যবহারের মাধ্যমে আর মানসিক পরিশ্রম মাপা হয় সাধারণ গাণিতিক সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের কাছে গবেষকরা বিভিন্ন ধরনের সুযোগ উপস্থাপন করেন। এই সুযোগগুলো মুল বিষয় হল, যে সুযোগে পরিশ্রম যত বেশি, সেখানে প্রাপ্তির পরিমাণও বেশি, প্রাপ্তিগুলো আর্থিক।

সুযোগ বেছে নেওয়ার সময় স্বভাবতই অংশগ্রহণকারীরা যেখানে পুরষ্কার বেশি সেটাই বেছে নেন। তবে কাজে নামার পর ক্ষমতা নির্ভর করে তারা কতটুকু পরিশ্রম করতে হবে তার ওপর। গবেষকরা দেখেন, শারীরিক পরিশ্রম আর মানসিক পরিশ্রমভিত্তিক পরীক্ষাগুলোর ফলাফল প্রায় একই ধরনের। সাধারণ জ্ঞান অনুযায়ী বলা যায় কোনো কাজের পেছনে মানুষ যতটা পরিশ্রম করবে, তার প্রাপ্তির চাহিদাও ততই বেশি হবে। তবে মনস্তাত্তিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে প্রাপ্তির মাত্রা বেশি হওয়াটা, তার জন্য যতটা পরিশ্রম জরুরি ততটা পরিশ্রম আসলেই ব্যাপারটা নিশ্চিত করতে পারেনা। 


ঢাকা, সোমবার, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ২৬২ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন