সর্বশেষ
সোমবার ১৮ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ | ০১ জুন ২০২০

ফিট হতে যে ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন তামিম

বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২০

tamim-iqbal.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :

বাংলাদেশে প্রায় অর্ধযুগ কাটিয়ে দেওয়া মারিও ভিল্লাভারায়েনের সবচেয়ে বড় অর্জন, ফিটনেসে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ভীষণ সচেতন করে তোলা। খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে ছুটিতে ফিটনেস নিয়ে কাজ করার অভ্যাস গড়ে তোলার পেছনে শ্রীলঙ্কান ট্রেনারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তামিম ইকবালের কথাই বলা যাক, বিরিয়ানি খুব প্রিয় খাবার বাঁহাতি ওপেনারের।

অথচ ফিটনেস ধরে রাখতে সেই তামিম কীভাবে বিসর্জন দিয়েছেন প্রিয় খাবারটা, সেই গল্পই দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন মারিও, ‘তামিমকে নিয়ে ভীষণ খুশি। সে দলের অন্যতম ক্রিকেটার, যে খুব খেতে ভালোবাসে। এখন সে বোঝে, যদি ভালো খেলতে হয়, নিজেকে আরেকটা ধাপে নিতে হয়, ডায়েটে পরিবর্তন করতেই হবে। তাকে বলি কী করা দরকার। সে সেটা করে। কাজেই কৃতিত্ব ওকেই দিতে হবে।’

তবে ফিট ক্রিকেটারদের মধ্যে মুশফিকুর রহিমকেই বেশি এগিয়ে রাখলেন তিনি, ‘মুশি থাকবে সবার আগে। ফিটনেসে খুবই ধারাবাহিক সে। তবে বলতেই হয় তরুণ ক্রিকেটার যেমন লিটন অনেক উন্নতি করেছে। এখন নিজেরাই তো ওরা অনেক কাজ করে। কদিন আগে দেখলাম আমার অনুপস্থিতিতেই লিটন নিজের মতো করে রানিং করছে। এটাই আমার সাফল্য। সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান সবাই অনেক উন্নতি করেছে।’

২০১৪ সালের শেষ দিকেও মাহমুদউল্লাহর ওজন ছিল ৯০ কেজি। দুই বছরের মধ্যে সেটি নেমে আসে ৭৮ কেজিতে। ফিটনেসে এই যে আমূল পরিবর্তন, এর পেছনে মাহমুদউল্লাহ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে যাঁর অবদানের কথা বলেছিলেন, তিনি মারিও ভিল্লাভারায়েন। শুধু মাহমুদউল্লাহ-তামিম মুশফিকই নন, সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মুর্তজা থেকে শুরু করে প্রত্যেকের ফিটনেসে উন্নতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান আছে মারিওর। ২০১৪ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ দলের স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচ হিসেবে যোগ দেওয়া ৪৬ বছর বয়সী শ্রীলঙ্কান ট্রেনার বাংলাদেশ-পর্ব শেষ করতে যাচ্ছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে। বিদেশিদের বাংলাদেশ দলে এত দিন কাজ করার অভিজ্ঞতা কমই আছে।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ২১৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন