সর্বশেষ
বুধবার ১৩ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ | ২৭ মে ২০২০

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কোয়ান্টাম কম্পিউটার আসছে

বৃহস্পতিবার, মার্চ ৫, ২০২০

dims.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

আগামী তিন মাসের মধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির ঘোষণা দিয়েছে হানিওয়েল কোয়ান্টাম সলিউশনস। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হানিওয়েল ইন্টারন্যাশনাল ইনকরপোরেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এটি। ফোর্বসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

হানিওয়েলের দাবি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং পারফরম্যান্সের বিচারে তাদের তৈরি কম্পিউটারটি সবচেয়ে শক্তিশালী হবে। এ ক্ষেত্রে তারা ২০১৭ সালে আইবিএমের তৈরি কোয়ান্টাম ভলিউম কম্পিউটারটিকে ছাড়িয়ে যাবে। ২০১৮ সালে হানিওয়েল কোয়ান্টাম কম্পিউটিং খাতে ঢুকে ‘ট্র্যাপড-আয়ন কোয়ান্টাম কম্পিউটিং’ বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করে।

কোয়ান্টাম ভলিউম শব্দটি কোনো সমস্যার তুলনামূলক জটিলতা বোঝায়, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে সমাধান করা যেতে পারে এবং সংখ্যাগতভাবে প্রকাশ করা হয়। কোয়ান্টাম ভলিউম কোয়ান্টাম সিস্টেমের বিভিন্ন মেট্রিকসের সমন্বয় করে কিউবিটগুলোর সামগ্রিক কর্মক্ষমতা পরিমাপ করে।

হানিওয়েল দাবি করেছে, তাদের কম্পিউটারে কোয়ান্টাম ভলিউম হবে ৬৪, যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী পাঁচ বছর ধরে প্রতিবছর কোয়ান্টাম ভলিউম বাড়াতে কাজ করবে তারা। গত বছর গুগলের সেকামোর দাবি করেছিল, তারা কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি অর্জন করেছে এবং তাতে ৫৩ কিউবিট রয়েছে। সাধারণ কম্পিউটারে যে কাজ সারতে ১০ হাজার বছর লেগে যেত, গুগল দাবি করেছে, তাদের কোয়ান্টাম কম্পিউটার সে কাজ ২০০ সেকেন্ডে করে দেখিয়েছে। কোয়ান্টাম মেকানিজমের জটিল অনেক সমস্যার সমাধান কোয়ান্টাম কম্পিউটার এক তুড়িতে করে ফেলতে পারে। ওই একই সমস্যার সমাধান করতে হালের সর্বাধুনিক কম্পিউটারের লেগে যায় শত থেকে হাজার হাজার বছর। এই বিষয়কেই বলা হয়ে থাকে কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি। অর্থাৎ যখন কোয়ান্টাম কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান বা দেশ ওই সব জটিল সমস্যার সমাধান অত্যন্ত কম সময়ে করতে পারবে, তখনই বলা হবে যে তারা কোয়ান্টাম সুপ্রিমেসি অর্জন করেছে।


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, মার্চ ৫, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ৪৩৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন