সর্বশেষ
সোমবার ১১ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ | ২৫ মে ২০২০

যেভাবে চ্যালেঞ্জ জয় করছেন মাশরাফি-তামিমরা

রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০

mashrafe_tamim-20190209134155.jpg
বিডিলাইভ রিপোর্ট :

এই অস্বাভাবিক সময়ে স্বাভাবিক সবকিছুর টান যেন আরও প্রবলভাবে অনুভব করছেন ক্রিকেটাররা। ঘরবন্দি এই সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মনকে মানানো। কঠিন সেই কাজ কে কিভাবে করছেন মাশরাফি-তামিমরা, জানালেন নিজেই...

মাশরাফি বিন মুর্তজা
আমার জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজ ঘরে বসে থাকা। এমনিতে ইনজুরির জন্য জীবনে অনেকটুকু সময় শুয়ে-বসে কাটাতে হয়েছে। সুস্থ থেকে টানা এত লম্বা সময় ঘরে আটকে থাকিনি কখনও। আপনারা প্রায় সবাই জানেন, আমার আড্ডা দিতে, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালো লাগে। ক্রিকেটের বাইরে নানা ব্যস্ততাও আছে এখন।

ঘরে থাকার কঠিন কাজটা সহজভাবে করতে পারছি, কারণ সময়টাই এমন। এখন দুযোর্গ চলছে, বিশ্বজুড়ে বিপর্যয়। সময়ের ডাক শুনতে হবে সবাইকে। আর এই সমাজের মানুষ হিসেবেও আমাদের দায়িত্ব আছে। সেই দায়িত্ব বলছে, এখন আমাদের ঘরে থাকতে হবে। তাই মন অস্থির হয়ে উঠতে চাইলেও তাকে শান্ত রাখতে পারছি।

তামিম ইকবাল
সত্যি কথা বলতে, এখনও পর্যন্ত আমার খুব একটা সমস্যা হয়নি। সকালে ফিটনেসের কাজ করি। এরপর সারাদিন ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে, স্ত্রীর সঙ্গে কাটাই। এমনিতে তো খুব একটা সময় ওদের দেওয়া হয় না। খেলার ব্যস্ততার বাইরেও সময় পেলে হয়তো বাইরে যাওয়া, ঘোরাঘুরি, অন্যান্য কাজ থাকে। এভাবে শুধু ঘরে পরিবারের সঙ্গে এতটা সময় কাটানো হয় না। এটা একটা নতুন অভিজ্ঞতা, যা আমি খুবই উপভোগ করছি।

আমি এটিকে ঠিক ‘ব্লেসিং ইন ডিসগাইস’ বলব না। কারণ, এভাবে ‘ব্লেসিং’ আমি চাই না। কেউই চায় না। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারছি বটে। কিন্তু এর চেয়েও জরুরি হলো, সব ঠিক হয়ে যাওয়া। সবকিছু স্বাভাবিক হওয়া।

মাহমুদউল্লাহ
পুরোপুরিই ঘরবন্দি আছি, তবে সময় খারাপ কাটছে না। সকালে উঠে নাশতা করেই ছেলের সঙ্গে খেলতে শুরু করি। কখনও ওর হোমওয়ার্ক দেখিয়ে দেই। এমনিতে তো এসবের সুযোগ খুব একটা হয় না! আজকেই যেমন ওর সঙ্গে ড্রয়িং করলাম। কত বছর পর ছবি আঁকলাম, নিজেরও মনে নেই!

দুপুরের দিকে ট্রেডমিলে রানিং করি। কিছু ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ, ঘরে বসে ফিটনেসের কাজ যতটা করা যায়, চেষ্টা করছি। মারিওর সঙ্গে কথা বলে (জাতীয় দলে সদ্য সাবেক ট্রেনার মারিও ভিল্লাভারায়ন) এসব কাজ করছি। ট্রেডমিলে খুব বেশি রানিং করলেও কিছু সমস্যা হয়, মারিও সেসব বলে দিয়েছে।

মনকে বশ করা অবশ্যই কঠিন। আমাদের তো এত লম্বা সময় টানা ঘরে থাকার অভ্যাস নেই। নরম্যালি খেলা বা দলের প্র্যাকটিস না থাকলেও দু-একদিন বিশ্রাম নিয়ে আমরা হয়তো ফিটনেস ট্রেনিং করতে বের হই। ব্যাট নিয়ে হালকা নক করি। কিছু না কিছু করি। 


ঢাকা, রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ২১৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন