সর্বশেষ
শুক্রবার ২২শে আশ্বিন ১৪২৯ | ০৭ অক্টোবর ২০২২

এরপরও খেলতে চান মরগ্যান

বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২, ২০২০

01dcbe2ecea72cf39a6261aae71693ae7d2a210c.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

সারা বিশ্বের ক্রিকেটাররা অনিশ্চিত অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, সেই অপেক্ষাটা কতক্ষণের। ক্রিকেট থমকে যাওয়ার ঘটনা তো এবারই প্রথম নয়। ‘জীবন আগে, খেলা পরে’—এমন মুহূর্ত তো ক্রিকেটে আগেও এসেছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯১৪ থেকে ১৯২০ সাল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৬ সময় ক্রিকেটের পায়ে ছিল বেড়ি।তখনো কিছু ক্রিকেট ম্যাচ ঠিকই চলছিল। প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের শুরুর দুই সপ্তাহ ইংল্যান্ডে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা হয়েছিল। এরপর ডব্লিউজি গ্রেস চিঠি লিখে খেলা বন্ধ করান। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট বন্ধ থাকলেও যুদ্ধের সময় আর্মিরা নিজেদের মধ্যে কিছু প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল।

দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময়ও ম্যাচ খেলেছে ইংল্যান্ডের পেশাদার ক্রিকেটাররা। ১৯৪৪ সালে রয়্যাল এয়ার ফোর্স ও আর্মির ম্যাচ হচ্ছিল লর্ডসে। জার্মানি তখন লন্ডনে মুহুর্মুহু বোমা ফেলছিল। এর মধ্যেও লর্ডসে ৩ হাজার মানুষ এসেছিল ক্রিকেট দেখতে। আর্মির হয়ে ব্যাট করছিলেন ইংলিশ ও মিডেলসেক্স ব্যাটসম্যান জ্যাক রবার্টসন। বোলার বব ওয়েট বল করার আগেই বোমার শব্দ শুনতে পায় ক্রিকেটাররা। মুহূর্তেই মাথা বাঁচাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সবাই। একদিকে যুদ্ধের দামামা, আরেকদিকে ক্রিকেট।

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক এউইন মরগ্যানও মনে হয় এই যুগের রবার্টসন হতে চাইছেন। রবার্টসনের মতো তিনিও মিডলসেক্স কাউন্টির ব্যাটসম্যান। করোনাভাইরাসের দুর্যোগের সময় খেলা চালিয়ে যেতে চান তিনিও। খেলাই পারে আবার বিশ্বকে প্রাণচঞ্চল করে তুলতে। প্রয়োজনে বন্ধ স্টেডিয়ামে খেলা হোক, তবুও খেলতে চান মরগ্যান। ইংল্যান্ডের টেস্ট ও ওয়ানডে দলকে যদি একইদিন খেলতে হয়, সেটাও নাকি সম্ভব, ‘এমন অবস্থায় বেশি ক্রিকেট ম্যাচ খেলা চেষ্টা করা উচিত। আমি মনে করি খেলোয়াড়েরা খেলতে চাইবে। আমি অবশ্যই খেলতে চাইব।’


ঢাকা, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ১২৮৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন