সর্বশেষ
শনিবার ২০শে আষাঢ় ১৪২৭ | ০৪ জুলাই ২০২০

মাস্ক পরার কারণে ত্বকের ক্ষতি, জেনে নিন সমাধান

শুক্রবার, এপ্রিল ১০, ২০২০

mask.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্কের বিকল্প নেই। তবে দিনের পর দিন লম্বা সময় মাস্ক পরে থাকার কারণে সেখানে জমে থাকা ঘাম, ঘর্ষণ ইত্যাদির কারণে ত্বকের ক্ষতি হচ্ছে, তৈরি হচ্ছে প্রদাহ সৃষ্টির আশঙ্কা। করোনাভাইরাস আতঙ্কের মাঝে অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কথা ভুলে যাওয়া মোটেই উচিত হবে না। জরুরি সেবার আওতাভুক্ত প্রতিটি মানুষের উচিত সকল কাজের মাঝে নিজের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া।

মাস্কের কারণে ত্বকের যে সমস্যা হতে পারে তা এড়ানো সহজ। ত্বক পরিষ্কার রাখতে হবে যা ভাইরাসের কবল থেকে বাঁচারই একটি অংশ এবং ত্বক আর্দ্র রাখতে হবে। ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করতে পর্যাপ্ত পানি এবং ‘ময়েশ্চারাইজার’ ব্যবহার দুটোই জরুরি।ভারতের ইন্দ্রপৃষ্ঠ অ্যাপোলো হাসপাতালের ত্বক বিশেষজ্ঞ ডি. এম. মহাজন বলেন, যাদের লম্বা সময় মাস্ক পরতে হচ্ছে তাদের ত্বক ময়েশ্চারাইজ করার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। সম্ভব হলে সবার কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে কিছুক্ষণ মাস্ক খুলে রাখতে হবে। আর একই মাস্ক সারাদিন পরে থাকা চলবে না, আট থেকে নয় ঘণ্টা পর পরিবর্তন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চিকিৎসক এবং চিকিৎসাসেবার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বেশি সাবধান থাকতে হবে। কারণ সামাজিক দূরত্ব তো দূরের কথা, ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সঙ্গেই তাদের কাজ। এমতাবস্থায় সংক্রমন থেকে বাঁচতে তাদের মাস্ক হতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁটসাঁট। তাদের ব্যবহার করা মাস্কের কারণে ‘ন্যাসাল ব্রিজ’, আশেপাশের গাল ও চোয়ালের মাংসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ চাপ পড়ে থাকা অত্যন্ত জরুরি। এতে ওই অংশগুলোতে র‌্যাশ, শুষ্কভাব, ব্রণ ইত্যাদিসহ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতেই পারে।

ভারতের ফোর্টিস হাসপাতালের ত্বক বিশেষজ্ঞ মঞ্জুল আগারওয়াল বলেন, সার্জিকাল ফেইস মাস্ক এবং ‘এন নাইনটি ফাইভ রেস্পিরেটর মাস্ক’ সঠিকভাবে পরলে তা শ্বাসতন্ত্র নিঃসৃত ‘ড্রপলেট’য়ে থাকা সংক্রামক রোগের জীবাণু থেকে যথেষ্ট সুরক্ষা দিতে পারে। ‘সার্জিকাল মাস্ক’ সাধারণত তৈরি ‘পলিপ্রোপেলিন’ কাপড় দিয়ে যা কোনো বোনা কাপড় নয়। আবার ‘ডিস্পোজেবল এন নাইনটি ফাইভ রেস্পিরেটর’য়ে থাকে চারটি পরত। এর একেবারে ভেতরের পরত, যেটি ত্বকের সংস্পর্শে থাকে, সেটিও তৈরি হয় ওই ‘পলিপ্রোপেলিন’ দিয়েই।


ঢাকা, শুক্রবার, এপ্রিল ১০, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এ এম এই লেখাটি ৪৭৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন