সর্বশেষ
শনিবার ১৪ই অগ্রহায়ণ ১৪২৭ | ২৮ নভেম্বর ২০২০

আমড়ার পুষ্টিগুণ

বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২০

008.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

দেশি ফল আমড়া বেশ জনপ্রিয়। ফলের মধ্যে অন্যতম সুস্বাদু আমড়া। বাংলাদেশে পুষ্টিকর এই ফলটির দু'টি প্রজাতির চাষ হয়। দেশি আমড়া ও বিলাতি আমড়া। বিলাতি আমড়া দেশি আমড়ার মতো টক নয়। এটি খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের। এতে শাঁস বেশি, আকারেও বড়। বিলাতি আমড়া কাঁচা খাওয়া হয়। বিলাতি ও দেশি দুই ধরনের আমড়া থেকেই সুস্বাদু আচার, চাটনি এবং জেলি তৈরি করা যায়। তরকারি হিসেবে রান্না করেও আমড়া খাওয়া যায়। মুখে রুচি বৃদ্ধিসহ অসংখ্য গুণাগুণ রয়েছে আমড়া। বহুমুখী উপকারিতার কারণে নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে আমড়া।

আমড়া কষ ও অম্ল স্বাদযুক্ত ফল। আমড়ার বৈজ্ঞানিক নাম Stondia Dulcis। এটি Anacardiaceae পরিবারভুক্ত। এতে প্রায় ৯০%-ই পানি, ৪-৫% কার্বোহাইড্রেট ও সামান্য প্রোটিন থাকে। ১০০ গ্রাম আমড়ায় ভিটামিন-সি পাওয়া যায় ২০ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ২৭০ মাইক্রোগ্রাম, সামান্য ভিটামিন-বি, ক্যালসিয়াম ৩৬ মিলিগ্রাম, আয়রন ৪ মিলিগ্রাম। আমড়ায় যথেষ্ট পরিমাণ পেকটিনজাতীয় ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান থাকে।

আমড়ার কিছু গুণাগুণ

১. ফল ভিটামিন-সি-সমৃদ্ধ (প্রতি ১০০ গ্রাম আমড়ায় ২০ মিলিগ্রাম পাওয়া যায়)।

২. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

৩. রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

৪. অ্যান্টি-অক্সিডেন্টজাতীয় উপাদান থাকায় আমড়া বার্ধক্যকে প্রতিহত করে।

৫. আমড়াতে প্রচুর আয়রন থাকায় রক্তসল্পতা দূর করতে বেশ কার্যকর।

৬. আমড়া খেলে মুখের অরুচিভাব দূর হয়।

৭. মুখের রুচি ফিরে আসায় ক্ষুধা বৃদ্ধি পায়।

৮. বদহজম ও কোষ্টকাঠিন্য রোধে আমড়া উপকারী।

৯. রক্ত জমাট বাধার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

১০. সর্দি কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জার বিরুদ্ধে কাজ করে

১১. হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখে।

১২. ভালো রাখে ত্বক।

১৩. ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে।

১৪. হৃদরোগ প্রতিহত করে।

এই ফল কাচা ও পাকা রান্না করে বা আচার বানিয়ে খাওয়া যায়। ফল আগস্ট মাসে বাজারে আসে আর থাকে অক্টোবর পর্যন্ত।


ঢাকা, বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এস বি এই লেখাটি ৮৫০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন