সর্বশেষ
সোমবার ২০শে আষাঢ় ১৪২৯ | ০৪ জুলাই ২০২২

কফি খেলে দ্রুত চর্বি কমবে

সোমবার, নভেম্বর ৯, ২০২০

24.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

এই কয়েক মাসে ওজন কি বেড়ে গিয়েছে? আর বাড়তি মেদ নিয়ে নিশ্চয়ই দুশ্চিন্তাও রয়েছে? এই পরিস্থিতিতে কিন্তু কফিই কিন্তু আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। শরীরে বাড়তি মেদ থাকলে নানা ধরনের রোগ বাসা বাঁধার সুযোগ পায়। ওজন কমাতে কফি বেশ সাহায্য করে। তবে হ্যাঁ, দুধ-চিনি মেশানো কফি বা ক্রিম মেশানো রাজকীয় কফি খেলে ফল হবে হিতে বিপরীত৷ এতে একদিকে যেমন পুষ্টিকর খাবারের অভাবে অপুষ্টি হবে, অন্যদিকে চিনি-ক্রিমের দৌলতে কফির ক্যালোরি বেড়ে ওজনও থেকে যাবে যথাস্থানে৷

সমাধান লুকিয়ে রয়েছে ব্ল্যাক কফিতে। এই ধরনের কফিতে ক্যালোরির পরিমাণ একেবারে খুবই কম থাকে। আর ডিক্যাফেইনেটেড বীজ থেকে বানান হলে সেখানে ক্যালোরি প্রায় থাকেই না। এছাড়াও ব্ল্যাক কফিতে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড নামে একটি উপাদান রয়েছে, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাই রাতের খাবার খাওয়ার পর কফি খেলে ক্লোরোজিনিক অ্যাসিডের দৌলতেই শরীরে গ্লুকোজ তৈরির হার কমে যায়৷ তার হাত ধরে কমে চর্বি জমার প্রবণতা ৷ বিজ্ঞান বলে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড গ্লুকোজ উৎপাদনে বাধা দেয়। ফলে নতুন ফ্যাট কোষ তৈরি হয় না।

‘হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথ’-এর বিজ্ঞানীদের মতে, কম ক্যালোরির সুষম খাবার ও পরিমিত ব্যায়ামের সঙ্গে দিনে কম করে ৩-৪ কাপ বা ৭২০-৯০০ মিলির মতো কফি খেলে সব দিক বজায় থাকে৷ পেশিবহুল সুঠাম শরীর চাইলে আরও বেশি খেতে পারেন৷

কফি কখন কী ভাবে খাওয়া যেতে পারে দেখে নিন-

* সকাল-দুপুর ও রাতে খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ আগে কফি খান৷ তাতে কম খাবারে পেট ভরবে৷

* খাবার খাওয়ার পর কফি খান৷ যার কারণে শরীরে চর্বি কম জমবে৷

* ক্লান্ত লাগলে কফি খান৷ কাজ করতে পারবেন দ্বিগুণ উৎসাহে৷ বাড়বে ক্যালোরি খরচও৷

* কফি খাবেন ব্যায়ামের আগে৷ এছাড়া মধ্যপথে ও শেষেও খেতে পারেন৷

খালি পেটে বা একদম সকালে কফি না খাওয়াই ভাল। যাদের রাতে ঘুমের সমস্যা রয়েছে তাঁরা বরং রাতে কফি খাওয়া এড়িয়ে চলুন। লেবু-মধু মিশিয়ে এই কফি খাওয়ার আদর্শ সময় হলো সন্ধ্যাবেলা। কফির সঙ্গে মধু আর লেবুর রস মেশালে হজম ভালো হয়। মধুর বদলে ব্রাউন সুগারও ব্যবহার করতে পারেন।

 


ঢাকা, সোমবার, নভেম্বর ৯, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // এস বি এই লেখাটি ১৮২৭ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন