সর্বশেষ
মঙ্গলবার ৭ই বৈশাখ ১৪২৮ | ২০ এপ্রিল ২০২১

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য ভ্যাকসিন উৎপাদনের অনুমোদন পেল গ্লোব বায়োটেক

বুধবার, জানুয়ারী ৬, ২০২১

253.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন উৎপাদন করার অনুমোদন পেয়েছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক। প্রতিষ্ঠানটি এই ভ্যাকসিনের নাম দিয়েছে ‘বঙ্গভ্যাক্স’।

আজ বুধবার (০৬ জানুয়ারি) গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান ডা. আসিফ মাহমুদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

যেকোনো ওষুধ উৎপাদনের জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমতি প্রয়োজন হয়। অধিদপ্তর গ্লোব বায়োটেককে এই ভ্যাকসিন উৎপাদনে অনুমতি দিয়েছে। ভ্যাকসিন উৎপাদনের পর গ্লোব বায়োটেক এটির ট্রায়ালের অনুমোদনের জন্য চেষ্টা চালাবে।

তিনি জানান, ২৮ ডিসেম্বর ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য প্রয়োজনীয় টিকার ডোজ উৎপাদনের অনুমোদন পেয়েছেন তারা। কোন প্রতিষ্ঠান টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালাবে তা জানানো হবে আগামী সপ্তাহে। টিকা উৎপাদনের পর গ্লোব বায়োটেক টিকার ট্রায়ালের অনুমোদনের জন্য চেষ্টা চালাবে বলে জানান ডা. আসিফ মাহমুদ। গত বছরের ২ জুলাই করোনা ভাইরাসের টিকা উদ্ভাবনের তথ্য জানায় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড।বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কোনো প্রতিষ্ঠান এই টিকা উদ্ভাবনের দাবি করে। প্রতিষ্ঠানটি গত ৮ মার্চ এই টিকা তৈরির কাজ শুরু করে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের নাম আছে। যে ১৫৬টি ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পূর্বাবস্থায় আছে, তার মধ্যে গ্লোবের তিনটি ভ্যাকসিন আছে। গত বছরের ১৮ অক্টোবর গ্লোব বায়োটেকের গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার প্রধান আসিফ মাহমুদ জানিয়েছিলেন, প্রাণীর ওপর তাদের ভ্যাকসিনের সফল পরীক্ষা হয়েছে। তারা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ওই সময় গ্লোব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, তারা তিনটি ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছে। এগুলো হলো ডি৬১৪ ভেরিয়েন্ট এমআরএনএ, ডিএনএ প্লাজমিড ও এডিনোভাইরাস টাইপ-৫ ভেক্টর।


ঢাকা, বুধবার, জানুয়ারী ৬, ২০২১ (বিডিলাইভ২৪) // এস বি এই লেখাটি ৫২০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন