সর্বশেষ
সোমবার ৩রা কার্তিক ১৪২৮ | ১৮ অক্টোবর ২০২১

আনুশকার দাফন সম্পন্ন : ধর্ষণের পর হত্যা

শনিবার, জানুয়ারী ৯, ২০২১

32.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টার মাইন্ড স্কুলের ও লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নুর আমিনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া সদরের গোপালপুর গ্রামে জানাজা শেষে গোপালপুর গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন আনুশকার পরবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজনসহ আশপাশের গ্রামের মানুষ।

জানাজায় আনুশকার পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও গ্রামবাসী অংশ নেয়। তার দাফন শেষে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে এবং কেউ যাতে এমন অপরাধ করার সাহস না দেখায়, সে জন্য সব অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।

এর আগে ভোরে আনুশকার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স গ্রামে পৌঁছায়। মরদেহ দেখতে ছুটে আসেন আত্মীয়-স্বজনসহ আশেপাশের গ্রামের মানুষ। এসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেকেই। 

উল্লেখ্য, এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারে ওই কিশোরীর বাবা মো. আল আমিন উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে আমার স্ত্রী ও আমি বের হয় হই। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ওই ছাত্রী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। এই মামলার একমাত্র আসামি 'ও' লেভেল শেষ করা দিহান বেলা ১টা ১৮ মিনিটে ফোন করে ওই শিক্ষার্থীর মাকে জানান, মেয়েটি তার বাসায় গিয়েছিলেন। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়েছে। অফিস থেকে বের হয়ে আনুমানিক দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা হাসপাতালে পৌঁছেন। হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি তার মেয়েকে কলাবাগান ডলফিন গলির বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য আসামি নিজেই তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে কলাবাগান থানা পুলিশের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় বলে উল্লেখ করা হয় এজাহারে। মামলায় আরও বলা হয়েছে-আনুশকাকে একা বাসায় পেয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেছেন দিহান। আনুশকাকে প্রেমে প্রলুব্ধ করে দিহান তার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। অমানবিক কার্যকলাপের কারণে প্রচুর রক্তক্ষরণে সে মারা যায়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট অন্য একটি সূত্র জানায়, আড়াই মাস আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সূত্রে দীহানের সঙ্গে পরিচয় হয় আনুশকার। এরপর তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয় দিহান একাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। শুক্রবার দিহানকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। তবে আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন তিনি।


ঢাকা, শনিবার, জানুয়ারী ৯, ২০২১ (বিডিলাইভ২৪) // এস বি এই লেখাটি ২২২৪ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন