সর্বশেষ
মঙ্গলবার ২৭শে অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১১ ডিসেম্বর ২০১৮

সুখী ও স্থায়ী দাম্পত্য জীবনের মৌলিক শর্ত

রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০১৫

342835552_1430031091.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
বিয়ের মাধ্যমে একজন পুরুষ ও একজন নারী এক সঙ্গে থাকা ও বসবাস করার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়। তাই বিয়ের শুভ কাজটি নিয়ে কতো রকমের আয়োজন থাকে। এই সংসার সবার সব সময় টিকে না। আর সময়ের ব্যবধানে সংসার ভাঙার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। সংসার ভাঙার পেছনে অসংখ্য কারণ থাকতে পারে। প্রতারণা, অসহযোগিতা, আত্মসম্মানবোধে আঘাত হানা, ব্যাপক অমিল, সংসারে অনিচ্ছা ইত্যাদি।

তবে বিয়ের অটুট বন্ধন গড়ে তোলার জন্যে কি আলাদা কোনো রহস্য আছে? একটি স্থায়ী এবং সুখী সংসার গড়ে তোলার জন্যে কি কি দরকার হয়, তা নিয়ে গবেষণার চেষ্টা চালিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

লিও তলস্তয় সংসারের সুখ নিয়ে বলেন, সুখী পরিবার এক অপরকে গুছিয়ে রাখে। কিন্তু কোনো পরিবারের সুখ নষ্টের পেছনে তাদের নিজস্ব পথ দায়ী।

# যাবতীয় সমস্যা মোকাবেলার চাবিকাঠি হতে পারে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার ভালোবাসা। এজন্যে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। যদি সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ না থাকে, তবে ভালোবাসাও থাকবে না।

# সফল ও সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের একটি। সুখী সংসারের চাহিদা এবং তা মেটানোর মধ্য দিয়ে তা অর্জিত হতে পারে।

# সহনশীলতা আরেকটি বড় শর্ত। বিয়ে বিষয়টা ধৈর্য্যের বড় একটি পরীক্ষা। একে উৎরে যেতে না পারলে সবই বৃথা যাবে।

# সবকিছুর পরেও ঝামেলা থাকবেই। এজন্য উভয়ের ক্ষমাশীল মন-মানসিকতা থাকতে হবে। দুজনের সম্পর্ক আরো বেশি গভীর হতে পারে ক্ষমাশীলতা চর্চার মধ্য দিয়ে।

# শ্রদ্ধাবোধ ও ক্ষমাশীলতা গ্রহণযোগ্য হতে পারে নম্রতার মাধ্যমে। বিয়ের অর্থ দুজন মানুষের মানসিকতা এক হয়ে যাওয়া। এক্ষেত্রে একজনের প্রতি অপরের বিনম্র আচরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

# এসবের সঙ্গে যোগ ঘটাতে হবে সততা ও বিশ্বস্ততার। দুজন দুজনের প্রতি সৎ থাকতে হবে। এর মাধ্যমে বিশ্বাস অর্জিত হবে। আর বিশ্বস্ততা অর্জন সম্পর্কের স্থায়ীত্বের বড় শর্ত।

# পারস্পরিক যোগাযোগে দূরত্ব থাকলে চলবে না। দুজনের মানসিক ও বাহ্যিক যোগাযোগ নিয়মিত ও স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে উঠবে।

# স্বার্থপরতা দাম্পত্যজীবনের জন্যে নয়। কারণ আগেই বলা হয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে দুজন মানুষ একজন হয়ে যান। তাই একের স্বার্থ অপরকে দেখতে ও রক্ষা করতে হবে।

# বিয়েটা আনন্দ আয়োজনের মাধ্যমে সম্পন্ন হলেও মূলত সংসারজীবন উদযাপনের কোনো বিষয় নয়। এর মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যতকে আরো বাসযোগ্য ও সুন্দর করে তুলতে হবে।

যুগ যতই এগিয়ে যাক, বিয়ে দুজনের সফল সংসারজীবন গড়ে তোলার স্বীকৃতি। তাই প্রতিটি বিয়ের মাধ্যমে সুষ্ঠু ও আনন্দময় স্থায়ী সংসারজীবন সৃষ্টি হওয়া দরকার। আপনার অভিজ্ঞতা যাই হোক না কেন, সামান্য কয়েকটি মানবিক চর্চা ও একে লালন করতেই হবে দাম্পত্য জীবনকে স্থায়ী করতে।

সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

ঢাকা, রবিবার, এপ্রিল ২৬, ২০১৫ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ২৯৩৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন