সর্বশেষ
শনিবার ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৭ নভেম্বর ২০১৮

গণমুখী ক্লাব থেকে যেভাবে উত্থান মুস্তাফিজ-সৌম্যর

শনিবার, জুন ২৭, ২০১৫

1640681906_1435401533.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
সেজো ভাই মোখলেছুর রহমান শুরু থেকে মুস্তাফিজকে খেলার সমর্থন দিয়েছেন। মোখলেছুর প্রথম মুস্তাফিজকে নিয়ে সাতক্ষীরা গণমুখী ক্লাবের ক্রিকেট কোচ আলতাফ ভাইয়ের কাছে যান।

কয়েক দিন আলতাফ তাকে প্রশিক্ষণ দেয়ার পর ধরতে পেরেছিলেন মুস্তাফিজের ভেতরের ‘ধারটা’। এর মধ্যে সাতক্ষীরায় বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই শুরু হয়।

আলতাফ ভাইয়ের পরামর্শে অংশ নিয়ে মুস্তাফিজ সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে অনূর্ধ্ব-১৪ প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হন। এরপর সাতক্ষীরায় ক্রিকেট একাডেমির মুফচ্ছিনুল ইসলাম, পরে একরামুল ইসলামের কাছে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেন।

প্রতিদিন ভোরে তেঁতুলিয়া থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে মোটরসাইকেলে করে সাতক্ষীরা নিয়ে আসতেন প্রশিক্ষণের জন্য। মা রুটি বানিয়ে দিতেন। মোটরসাইকেলে বসে তাই খেতেন।

এরপর অনূর্ধ্ব-১৪ ও ১৭ খেলেছেন। ভালো খেলে সবার নজর কাড়েন। খুলনা বিভাগীয় দলে খেলেছেন। ধারাবাহিকভাবে সফল হয়েছেন।

বছর তিনেক আগে খুলনা বিভাগীয় দলের সালাউদ্দিন ভাই তাকে পাঠান ঢাকার শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে বোলিং ক্যাম্পে ট্রায়াল দিতে। সেখানে এসে কোচদের নজর কাড়েন। এরপর অনূর্ধ্ব-১৯ খেলেছেন নিয়মিত। বিভিন্ন লিগ খেলে সাফল্য পেয়েছেন।

গত বছর অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভালো খেলে সবার নজর কেড়েছেন। আর এখন আলো ছড়াচ্ছেন জাতীয় দলে।

আর সৌম্য? ১১ বছর বয়সে সাতক্ষীরা সরকারি বিদ্যালয়ের হয়ে স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে নৈপুণ্য দেখান।

স্থানীয় গণমুখী ক্লাবে ভাই পুষ্পেন সরকার নিয়মিত খেলোয়াড় ছিলেন সেই সুবাদে সৌম্যরও ওই ক্লাবে যাতায়াত। তবে স্থানীয় কোনো ক্লাবে নিয়মিত খেলেননি তিনি।

পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে বিকেএসপিতে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ সময় সৌম্য সাতক্ষীরা ক্রিকেট একাডেমিতে কিছুদিন প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন।

সাতক্ষীরা জেলা ক্রিকেট দলের কোচ ও গণমুখী ক্লাবের কর্মকর্তা আলতাফ হোসেন বলেন, ‘মাঠে আসত। অনুশীলন করত তার কাছে। ছোটবেলা থেকে সৌম্যর খেলায় ছিল আলাদা স্টাইল। আর দশজনের চেয়ে ওর খেলার ভঙ্গি ছিল আলাদা। মাঠে চার ও ছয় মারতে ওর জুড়ি ছিল না। ছোটবেলায়ই বোঝা গিয়েছিল ও একদিন বড় খেলোয়াড় হবে।’

সৌম্যর বাবা কিশোরীমোহন সরকার বলেন, মেজো ছেলে পুষ্পেনের খেলা দেখে ভালো ক্রিকেটার হওয়ার আগ্রহ প্রথম মাথায় জেঁকে বসে তার ছোট ছেলে সৌম্যর। ওর মেজো ভাইয়ের খেলায় একটা আলাদা ছন্দ ছিল। দাদার অনুপ্রেরণায় বিকেএসপিতে ভর্তি হওয়ার পর সেখানেই মূলত তার ক্রিকেটের ভিত শক্ত হয়। প্রথম আলো।

ঢাকা, শনিবার, জুন ২৭, ২০১৫ (বিডিলাইভ২৪) // এম এস এই লেখাটি ৩৬৫৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন