সর্বশেষ
বুধবার ১১ই আশ্বিন ১৪২৫ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

'টেকসই উন্নয়নে বৈশ্বিক শাসনকাঠামোতে আরও সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ'

বৃহস্পতিবার, জুলাই ২, ২০১৫

821390239_1435816246.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামের (এইচএলপিএফ) একটি অধিবেশন সঞ্চালনকালে বাংলাদেশের বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, নতুন বৈশ্বিক উন্নয়ন কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় নীতিকাঠামোতে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয়গুলো যথাযথভাবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাসমূহ (এসডিজি) অর্জনে বৈশ্বিক শাসনকাঠামোকে আরও সমন্বিত করাটাও গুরুত্বপূর্ণ।

অধিবেশনটির মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ‘নতুন ধারার নীতি প্রণয়ন কৌশলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ভূমিকা’।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির ড্রবনাক। এতে প্যানেল আলোচক ছিলেন নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত ক্যারেল ভ্যান অস্টেরুম, উগান্ডার জাতীয় পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষের পরিচালক প্যাট্রিক বিরুঙ্গি, চেকোস্লোভাকিয়ার সংসদের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইয়ারোস্লাভা ইয়ার্মানোভা, ইন্দোনেশিয়ার গ্লোবাল কমপ্যাক্ট নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট ইয়াইয়া জুনার্দি ও আদিবাসী জনগণের পক্ষ থেকে গালিনা আঙ্গারোভা। এ ছাড়া জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী উপপ্রতিনিধি সাদিয়া ফাইজুন্নেসাসহ বিভিন্ন দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এসডিজি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও তার মূল্যায়নে জনপ্রতিনিধি, ব্যক্তি খাত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি করতে হবে। এ জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা দরকার।

সাদিয়া ফাইজুন্নেসা বলেন, ক্রমবিকাশমান নীতি-চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সমতা সৃষ্টি করতে হবে। এ জন্য নজর দিতে হবে সম্পদ আহরণের দিকে।

ভ্লাদিমির ড্রবনাক বলেন, নতুন ধারার নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়াটি বহু পর্যায়ভিত্তিক। এতে স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতিসংঘ পর্যন্ত সব পর্যায়ের সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে।

দেবপ্রিয় বলেন, ভবিষ্যতে নতুন উন্নয়ন এজেন্ডা অর্জন করতে হলে আগের মতো বিচ্ছিন্নভাবে লক্ষ্যভিত্তিক কৌশল নির্ধারণ যথেষ্ট হবে না, বরং পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ অর্জনে সমন্বিত কৌশল নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও নতুন আইনি উদ্যোগেরও প্রয়োজন পড়বে।

এ ক্ষেত্রে জাতীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে যথাযথ পরিবীক্ষণ ও পর্যালোচনা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা দরকার বলে দেবপ্রিয় উল্লেখ করেন।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বর্তমানে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার ৪৯টি থিংক ট্যাঙ্ক বা গবেষণা সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত নেটওয়ার্ক সাউদার্ন ভয়েস অন পোস্ট এমডিজিস-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এমডিজি) উত্তরসূরি হিসেবে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের জন্য সার্বিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার লক্ষ্যে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের আওতায় এই উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামটি (এইচএলপিএফ) গঠিত। এই ফোরামের মূল দায়িত্ব হলো আগামী ১৫ বছর এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২, ২০১৫ (বিডিলাইভ২৪) // আর কে এই লেখাটি ৬৪০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন