সর্বশেষ
বুধবার ৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ২১ নভেম্বর ২০১৮

ইমরুল কায়েসের গ্রামের বাড়ি ভারতে!

শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০১৫

973435278_1439633387.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
বাবা-চাচার মুখে ভারতের বাড়ির গল্প শুনেছেন অনেক। সেই গল্প শুনতে শুনতে যেন চোখের সামনে দেখতে পেতেন সবুজে ঘেরা ছোট্ট গ্রাম, গ্রামের পুকুর পাড়, খেলার মাঠ। কিন্তু বেশ কয়েকবার ভারতে গেলেও নদিয়ার করিমপুর ২ ব্লকের সাহেবপাড়া গ্রামের সেই বাড়িটায় যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট দলের বাঁ-হাতি ওপেনার ইমরুল কায়েসের। অবশেষে মিটল সে সাধ। বাবা, মা ও এক বন্ধুকে নিয়ে গ্রাম ঘুরে আসলেন ইমরুল।

গত মঙ্গলবার মায়ের চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন ২৮ বছর বয়সী এই তারকা ক্রিকেটার। মায়ের চিকিৎসার পরে কলকাতা থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সপরিবার সাহেবপাড়ায় যান তিনি। ইমরুলের দাদা কায়েম বিশ্বাসের জন্ম সাহেবপাড়াতেই। পাঁচের দশকে কায়েম চলে যান পূর্ব পাকিস্তানের মেহেরপুরে। ইমরুলের বাবা বানি বিশ্বাসের জন্ম বাংলাদেশেই। পরে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে কায়েম বিশ্বাস সপরিবার ফিরে যান সাহেবপাড়ায়। যুদ্ধ শেষে আবারও ফিরে আসেন বাংলাদেশে। তারপর থেকে ফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ হলেও আর ভারতে যাওয়া হয়নি তাদের।

তবে বর্তমানে সাহেবপাড়াতেই থাকেন ইমরুলের চাচা বজলু রহমান বিশ্বাস।

তিনি বলেন, কলকাতায় এসে সাগর (ইমরুলের ডাকনাম) ফোনে বলল গ্রামে আসতে চায়। সেইমতো বৃহস্পতিবার বাড়িতে হইহই শুরু হয়ে যায়। বিশেষ পদ বলতে দেশি মুরগির মাংস আর রসগোল্লা। কিন্তু ইমরুল একটি রুটি, সামান্য মাংস ছাড়া আর কিছুই খায়নি। রাতেও তাই। তিনটি টেস্ট সেঞ্চুরির মালিকের খাওয়া দেখে হতাশ তার ভাবী রিমা বিবি।

তিনি বলেন, অত বড় মাপের খেলোয়াড়। অথচ খাওয়ার বেলায় লবডঙ্কা!

ইমরুলের আসার খবর শুনে শুক্রবার সকাল থেকেই ভিড় জমতে শুরু করে বজলু রহমানের বাড়ির সামনে। করিমপুর জামতলা নবারুণ সঙ্ঘের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। রেগুলেটেড মার্কেটের মাঠে ব্যাট হাতে স্থানীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলতেও নেমে পড়েন তিনি। বেশ কিছু পরামর্শও দেন।

ইমরুল বলেন, সেই ছেলেবেলা থেকে করিমপুর, সাহেবপাড়ার নাম শুনে আসছি। এই প্রথম এখানে আসার সুযোগ হল। দাদু বেঁচে থাকলে খুব খুশি হতেন। এই এলাকার মানুষের আন্তরিকতা, ক্রিকেট নিয়ে এমন উন্মাদনার কথা আমারও মনে থাকবে। সূত্র : আনন্দবাজার

ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০১৫ (বিডিলাইভ২৪) // এম এস এই লেখাটি ৩৮৫৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন