সর্বশেষ
সোমবার ২রা পৌষ ১৪২৬ | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯

ফলমূলের অতিরিক্ত অক্সিটোসিন অপরাধপ্রবণতা বাড়ায়!

বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০১৫

1686430745_1440570878.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
সুস্বাস্থ্যের জন্য শাকসব্জি ফলমূল খাওয়ার পরামর্শ বহুশ্রুত। কিন্তু তাজা ফলের মধ্যেই লুকিয়ে থাকছে বিষভাণ্ডার। সতর্কতা বিজ্ঞানীদের। হর্টিকালচার এক্সপার্টরা বলছেন‚ কৃত্রিমভাবে ফলন বাড়াতে ব্যবহার করা হয় অক্সিটোসিন। ফলনের পাশাপাশি এই হরমোন প্রয়োগে ভালো থাকে ফলের রং এবং গন্ধও। বিক্রেতার পসরা বাজারে ক্রেতার নজর কাড়ে উজ্জ্বলতার জোরে। কিন্তু ক্রেতা বুঝতেও পারেন না‚ থলে ভরে যা নিয়ে যাচ্ছেন আসলে কতটা ক্ষতিকর শরীরের জন্য।

শারীরিক ক্ষতির সঙ্গে অক্সিটোসিনের সাইকো-সোশ্যিওলজিক্যাল প্রভাবও আছে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। এই হরমোনের নাম ‘লাভ হরমোন‘। এর প্রভাবে নারী পুরুষ নির্বিশেষে ত্বরান্বিত হয় বয়ঃসন্ধি। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রবণতাও বাড়াতে পারে অতি মাত্রায় অক্সিটোসিন।

আম‚ কলা‚ শশা‚ কুমড়ো‚ পেয়ারা‚ আপেল‚ বেগুন‚ লাউ‚ তরমুজ‚ ডুমুর‚ অ্যাপ্রিকট চাষে প্রচুর পরিমাণে অক্সিটোসিন ব্যবহৃত হয়। কেউ স্প্রে করে। আবার কখনো ইনেজেক্ট করা হয়। যদি প্রাকৃতিকভাবে সরাসরি দেহে অক্সিটোসিন প্রবেশ করে‚ ক্ষতি নেই। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় যখন মানুষ এর সিন্থেটিক ফর্মের সংস্পর্শে আসেন। মানবদেহে সিন্থেটিক অক্সিটোসিনের প্রভাব নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে।

খলনায়ক কিন্তু একা অক্সিটোসিন নয়। আছে ক্যালসিয়াম কার্বাইড এবং ইথাইলিন। খাদ্যবিজ্ঞানী এবং গবেষকরা বলছেন‚ এই দুই রাসায়নিক অক্সিটোসিনের থেকে ও ক্ষতিকারক।

সব মিলিয়ে‚ ফলাহার মানেই যে নিরাপদ‚ সে ধারনার দিন ফুরিয়েছে। কারণ সেখানেও ঘাঁটি বানিয়ে লুকিয়ে বসে আছে ক্ষতিকারক রাসায়নিক।


ঢাকা, বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০১৫ (বিডিলাইভ২৪) // আর কে এই লেখাটি ১০১৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন