সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ১লা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৫ নভেম্বর ২০১৮

তিন তরুণীর এগিয়ে চলার গল্প

শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৫

1370009920_1445570165.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
রুমি টপ্পো, সুমি টপ্পো ও বিপতি ক্যারকাটা। তিনজনই কলেজ শিক্ষার্থী। পড়ার খরচ যোগাচ্ছেন ওরা মাঠে কাজ করে। মাটির টান ও ঘ্রানে যাদের বেড়ে ওঠা তাদের তো মাটির কাছাকাছি থাকাই স্বাভাবিক। শত অভাব সত্ত্বেও লেখাপড়া করে সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চান তারা।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐ তিনজনই গোদাগাড়ী উপজেলার আগনপুর গ্রামের বাসিন্দা। সারাদিন কঠোর পরিশ্রমের পরও অদম্য ইচ্ছাশক্তির জোরে তারা চালিয়ে যাচ্ছেন লেখাপড়া। দারিদ্রতার কষাঘাত তাদের মনোবলে বিন্দুমাত্র ফাটল ধরাতে পারেনি। তিনজনই গোদাগাড়ীর রাজাবাড়ী ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী। সুমী টপ্পো অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়ছেন। বিপতি ক্যারকাটা ডিগ্রীতে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। রুমী টপ্পো একই কলেজের দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ছেন।

কারো বাড়িতেই বিদ্যুৎ নেই। কেরোসিনের কুপি বাতির আলোতে লেখাপড়া করেও তাদের স্বপ্নগুলো ডানা মেলতে চায়, পেতে চায় উজ্জল আলোর স্পর্শ। তাইতো লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়ার আকুলতা তাদের চোখে মুখে। তবে অভাবের তাড়নায় লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাতেও রয়েছেন  তারা।

বিপতি ক্যারকাটার বাবা নেই। রুমী টপ্পো ও সুমী টপ্পো দুই বোন। বাবার নাম শ্যামল টপ্পো। অভাব কারোরই পিছু ছাড়ছে না। অন্যের জমিতে কামলা খেটে সেই মজুরীর টাকাতেই তাদের লেখাপড়ার খরচ চলে।

টগবগে এই মেয়েগুলোর স্বপ্নপূরণে, তাদের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে কেউ কী বাড়িয়ে দেবেন সহযোগিতার হাত? ইত্তেফাক

ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৫ (বিডিলাইভ২৪) // কে এইচ এই লেখাটি ৭৫১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন