সর্বশেষ
শনিবার ৩রা অগ্রহায়ণ ১৪২৫ | ১৭ নভেম্বর ২০১৮

শচীন থামিয়েছিলেন শেবাগকে!

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৫

1754597937_1446114815.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
চেয়েছিলেন ২০০৭ সালে অবসর নিয়ে নিবেন। কিন্তু পারেননি শচীনের কারণে। অবসর নেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে শেবাগকে নিবৃত করেন তৎকালীন সতীর্থ শচীন টেন্ডুলকার। শেষ পর্যন্ত অবসর নিয়েছেন গত ২০ অক্টোবর। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার আড়াই বছর পরে। খবর ক্রিকইনফোর।

‘প্রতিটি খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শীর্ষে থাকার সময় অবসর নিতে চায়। আমিও তাই চেয়েছিলাম। পরিকল্পনা ছিল ২০০৭ সালেই বিদায় বলব। তখন দল থেকে বাদ পড়েছিলাম। কিন্তু শচীন আমাকে থামিয়েছিল।’ বলেন শেবাগ।

শেবাগের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার মূলত থমকে যায় ২০১৩ সালের মার্চ থেকে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে দল থেকে বাদ পড়েন তিনি। তারপর আর ফিরতে পারেননি।

ওই বছর দল থেকে বাদ দেয়ার সময় নির্বাচকরা তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছু জানতে চাননি জানিয়ে শেবাগ বলেন, ‘তারা কিছু জানতে চাইলে আমি অবসরের কথা জানিয়ে দিতাম।’

ভারতের সাবেক সিনিয়র এই ব্যাটসম্যানকে মাঠ থেকে অবসর ঘোষণা দেয়ার একটা সুযোগ দিতে চায় বিসিসিআই। তাই ৩ ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা টেস্টে শেবাগকে আমন্ত্রণ জানাবে ভারতীয় বোর্ড। ওদিন বিদায়ী বক্তব্য দিবেন এই মারকুটে ব্যাটসম্যান।

শেবাগ এক সময় মিডল অর্ডারে ব্যাট করতেন। শোনা যায়, সৌরভ গাঙ্গুলির কারণে ওপেনার বনে যান তিনি। শেবাগ সেই গাঙ্গুলিকে সেরা অধিনায়ক না বলে অনীল কুম্বলেকে নিজের সময়ের সেরা বলছেন, ‘আমি যে সব অধিনায়কের অধীনে খেলেছি, তাদের মধ্যে কুম্বলেই সেরা। সে আমাদের আত্মবিশ্বাসকে সব সময় ত্বরান্বিত করত।’

শেবাগ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর না ফিরলেও রঞ্জিতে হরিয়ানার অধিনায়ক থেকে যাবেন। খেলবেন শচীন-ওয়ার্নের অল-স্টারস টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টেও।

শেবাগ জানিয়েছেন ধারাভাষ্যের প্রস্তাব পেলে তিনি ফিরিয়ে দেবেন না, ‘ধারাভাষ্যের প্রস্তাব পেলে গ্রহণ করব। ব্যাটিংয়ের মতো আমার ধারাভাষ্যও হবে সোজাসাপ্টা।’

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৫ (বিডিলাইভ২৪) // এম এস এই লেখাটি ১৮৬৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন