সর্বশেষ
মঙ্গলবার ৮ই কার্তিক ১৪২৫ | ২৩ অক্টোবর ২০১৮

দাম্পত্য জীবনে সম্পর্ক ভাঙার কিছু অজানা তথ্য

শনিবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৫

932538543_1450467563.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :
ছোটখাটো কিছু আচরণ আছে যেগুলো আপনার মনে হবে, সম্পর্কের তিক্ততার ক্ষেত্রে এগুলো তেমন একটা ভূমিকা রাখে না। কিন্তু এটি ভাবা আপনার জন্য মস্ত বড় একটি ভুল। অজান্তে স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের সাথে কিছু অন্যায় করে থাকেন যেগুলোকে আমরা গুরুত্ব দেয় না।

এমনিতে হয়তো খুব সহজ আর স্বাভাবিক মনে হবে আপনার বিষয়গুলোকে। কিন্তু এই একেবারে ছোট্ট আর বেখেয়াল বিষয়গুলোই ভীষনভাবে কষ্ট দেয় আপনার সঙ্গীকে। সেটার প্রভাব খানিকটা হলেও গিয়ে পড়ছে আপনাদের সম্পর্কের ভবিষ্যতে।

তাই আসুন জেনে নিই বিষয়গুলি কী কী:
    
সন্তানকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া
অনেক নারীই বিয়ের কয়েক বছরের মাথায় সন্তানদেরকে নিয়ে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়েন যে সঙ্গীকে দেওয়ার মতন পর্যাপ্ত সময়ই থাকেনা। সারাদিন সন্তানকে নিয়ে ব্যস্ততা, সবসময় সন্তানের ব্যাপারে চিন্তা করা ও কথা বলা খুব দ্রুতই বাড়িয়ে দেয় স্বামী-স্ত্রীর ভেতরের দূরত্ব। ফলে বেড়ে যায় সম্পর্ক ভাঙার ঝুঁকিও।

অন্যের সাথে অনুভূতির বিনিময়
নিজের কথাগুলো শেয়ার করা উচিত সঙ্গীর সাথেই। কিন্তু আপনি যদি আপনার ভাললাগা, অনুুভূতি অন্য কারো সাথে শেয়ার করতে স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করেন, সেক্ষেত্রে আপনি মানসিকভাবে অন্য কারো সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে গিয়েছেন এমনটাই বলেন মনরোগবিশেষজ্ঞ ফুজান জেইন। শুধু ভাব বিনিময়ই নয়, দিনের বেশিরভাগ সময় বন্ধুদের সাথে অতিরিক্ত মেলামেশাও প্রভাব পড়তে পারে আপনার সম্পর্কে।

প্রযুক্তির সাথে অতিরিক্ত সময় কাটানো
প্রয়োজন ছাড়া আপনি যদি মোবাইল বা ল্যাপটপে সঙ্গীকে পাশে রেখে ঘন্টার পর ঘন্টা ইন্টারনেট, গেমের প্রতি অতিরিক্ত মনযোগ দেন। তাতে তার চেয়ে প্রযুক্তিকেই আপনি প্রাধান্য দিচ্ছেন বলে আপনার সঙ্গী ভাবতে পারে। যেটা আপনার সম্পর্ককে নিয়ে যেতে পারে বিচ্ছেদ পর্যন্ত।

অর্থনৈতিক গোপনীয়তা
অনেকে আবার নিজের উপার্জনের সঠিক সংখ্যা পর্যন্ত সঙ্গীকে বলেন না। কিংবা গোপনে অতিরিক্ত কেনাকাটা বা খরচ করে ফেলেন। সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেশ বড় প্রভাব রাখে এটি। ২০১১ সালে ন্যাশনাল এনডোউমেন্ট ফর ফিনান্সিয়াল এডুকেশন পরিচালিত একটি গবেষণায় পাওয়া যায় যে, এমন পরিস্থিতিতে শতকরা ৬৮ ভাগ সময়ে অন্য মানুষটির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। যার ভেতরে ১৬ শতাংশ মানুষ বিচ্ছেদ করে ফেলে।

গোপন কথা বিনিময়
বন্ধুর সাথে গল্পচ্ছলে সঙ্গীর নেতিবাচক দিকগুলো শেয়ার করে ফেলেন অনেকেই, হোক সেটা তুচ্ছ। ভবিষ্যতে আপনাদের ব্যক্তিগত বিষয় অন্যের কাছে শুনতে পেলে তা প্রভাব ফেলবে দাম্পত্য জীবনে।

চুপ হয়ে থাকা
দাম্পত্য জীবনে অনেক ধরনের সমস্যাই হয়ে থাকে। কিন্তু সেই সমস্যার সমাধানের জন্যে দুজনের কথা বলা উচিত। অপরপক্ষকে সুযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু এক্ষেত্রে আপনি যদি চুপ হয়ে যান আর সঙ্গীকে কথা বলার সুযোগ না দেন তাহলে নিজের অবস্থান নিয়ে হতাশ হয়ে পড়বে সে। দাম্পত্য দু’জন মানুষের একান্ত ব্যক্তিগত একটি সম্পর্ক। আর একে আজীবন ধরে রাখতে পরস্পরকে মূল্য দিতে হবে সবচাইতে বেশি।

ঢাকা, শনিবার, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৫ (বিডিলাইভ২৪) // আর এ এই লেখাটি ২৪৬৮ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন