সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ১৬ই আশ্বিন ১৪২৭ | ০১ অক্টোবর ২০২০

তিন বছর আগের অবস্থানে সূচক

চরম হতাশায় বিনিয়োগকারীরা

মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯

dhaka-stock-exchange.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

২০১৬ সালের ৩১ আগস্ট ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪ হাজার ৫২৬ পয়েন্টে ছিল। লাগাতার বড় পতনের ফলে প্রায় সাড়ে তিন বছর পূর্বের অবস্থানে ফিরে গেছে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক। সূচকের বড় পতনের সঙ্গে দেখা দিয়েছে লেনদেন খরাও। ফলে ডিএসইর লেনদেন আবারও ২০০ কোটি টাকার ঘরে নেমে এসেছে। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) প্রায় দুই মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে চরম হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। এ হতাশা তাদেরকে আতঙ্কিত করছে এই ভেবে যে, কোথায় গিয়ে ঠেকবে শেয়ারবাজার। বাজারের এমন পরিস্থিতিতে শুধু বিনিয়োগকারীই নয় ডিএসইর (ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ) পরিচালকরাও হতাশ। তাই বিপদগ্রস্ত এ বাজারের অবস্থা কী ভাবে ভালো করা যায় সে বিষয়ে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করবেন। এ বিষয়ে ডিএসইর ৯৪১তম বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে ডিএসইর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল সোমবার জানানো হয়েছে। তবে কবে হবে সে বৈঠক সে বিষয়ে এখনো জানানো হয়নি। 

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সোমবার লেনদেনের শুরুতে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ে। এতে পুঁজিবাজারের ঊর্ধ্বমুখিতার আভাস দেখা যায়। লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিটে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ২২ পয়েন্ট বেড়ে যায়।

এর পরেই দেখা দেয় পতন প্রবণতা। লেনদেনে অংশ নেয়া একের পর এক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমতে থাকে। ফলে আধাঘণ্টার মধ্যেই ডিএসইর প্রধান সূচক প্রায় ৩০ পয়েন্ট পড়ে যায়।

পতনের এ প্রবণতা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। 

বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দরপতনের ফলে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৫৩৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে টানা দুই দিনের পতনে প্রায় ১৫০ পয়েন্ট হারাল ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক। রোববার এ সূচকের পতন হয় ৭৫ পয়েন্ট।

 


ঢাকা, মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১০, ২০১৯ (বিডিলাইভ২৪) // রি সু এই লেখাটি ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন