সর্বশেষ
বৃহঃস্পতিবার ১লা শ্রাবণ ১৪২৭ | ১৬ জুলাই ২০২০

যে রকম হবে শিশুর ঘরের সজ্জা

শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২০

y.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

শিশুরা ছোট হলেও একজন পরিপূর্ণ মানুষ। এজন্যই নিজের ঘর থেকে শিশুর ঘরটি হওয়া চাই আকর্ষণীয়। এটি সাজাতে হবে পরিপাটি করে। কারণ বাড়ির বড় ছোট সদ্যস্যটি যে সবার বড় আদরের। তাই তার ঘরটাও হতে হবে তার মনের মতো। তবে বাচ্চাদের ঘর একটু নোংরা বেশি হয়। তাই কেমন হবে তাদের ঘরের দেয়াল ও আসবাবপত্র আসুন জেনে নেই।

ঘরে রঙের মেলা :
শিশুদের ঘরে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে রঙের ব্যবহার। যে কোন উজ্জ্বল রঙ যেমন লাল,নীল, সবুজ, হলুদ ব্যবহার করতে পারেন।ফার্নিচারেও করতে পারেন এর সাথে মানান সই রঙ। অন্যান্য জিনিসপত্রেও থাকবে রঙের ছোঁয়া।

দেয়াল সজ্জা :
ঘরের ভেতর ঢুকতেই প্রথমে যা চোখে পরে তা হচ্ছে ঘরের দেয়াল। সেই ক্ষেত্রে আপনি আপনার সন্তানের পছন্দের কার্টুন চরিত্র দিয়ে ফুটিয়ে তুলতে পারেন তার ঘরের দেয়ালটি। নকশার ওয়াল পেপারের চেয়ে রূপকথাভিত্তিক ওয়াল পেপার বা কার্টুনের কোনো চরিত্র বা জীবজন্তুর ছবি দেয়া, পাখি বা মাছের ছবি এগুলো শিশুদের ঘরে বেশি আকর্ষণীয় হবে।

পর্দা :
পর্দার ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব হাল্কা রঙ ব্যবহার করতে পারেন। সুতি বা কটন কাপড়ের পর্দা নির্বাচন করতে পারেন। এতে সহজেই ঘরে আলো বাতাস যাবে।

বিছানার চাদর ;
বিছানার চাদর আরামদায়ক না হলে শিশুর ঘুম ভালো হবে না এবং শিশুটির মেজাজ সব সময় খিটখিটে হয়ে থাকবে। রঙের ক্ষেত্রে রঙ যেমন সাদা, হাল্কা সবুজ, গোলাপি, হাল্কা নীল- এ সব রঙ নির্বাচন করা।

আসবাবপত্র :
শিশুর ঘরের আসবাব পত্রের রঙ হবে উজ্জ্বল। আসবাবপত্র হবে অনেকটা খেলার মত। অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্রগুলো গুছিয়ে অন্য কোথাও রাখুন। ছোঁয়া, মজার মজার কার্টুন আকারের কোনো আসবাব বেছে নিতে পারেন শিশুর ঘরের জন্য।

খেলার জায়গা :
আপনার শিশুর ঘরের এক পাশে খেলার জিনিসপত্র দিয়ে আলাদা একটি জগৎ তৈরি করুন। সেখানে একটি মাদুর বিছিয়ে রাখতে পারেন যাতে বাচ্চারা সেটার ওপর বসে খেলতে পারে।

লাইব্রেরি :
ঘরের একদিকের দেওয়ালে বই রাখার ব্যবস্হা করে দিন৷ ছোট খেকেই ওদের পড়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে৷ দেখবেন ওরা যেন নাগালের মধ্যে পায়৷ ঘরের দেওয়ালে না হলে আলাদা করে বুক স্টোরেজ বানিয়ে দিন।

আলো-বাতাস :
বাচ্চাদের ঘরে জোড়ালো আলো হলেই ভালো হয়, কারণ কম আলোয় ওদের পড়াশোনা করতে অসুবিধে হবে৷ ওয়াইট কালার লাইট একদম পারফেক্ট কিড্‌স রুমের জন্য৷

গাছ লাগান :
শিশুর ঘরের ভেতর বনসাই গাছ লাগাতে পোরেন। আপনার শিশুটির ঘরটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠবে।

স্টোরেজ :
জামাকাপড় এবং অনান্য জিনিস স্টোর করার জন্য মাল্টি পকেট অর্গানাইজারের ব্যবস্থা করুন৷ যাতে এক জায়গাতেই সব জিনিস পাওয়া যায়৷


ঢাকা, শনিবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // জে এস এই লেখাটি ৪৫৬ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন