সর্বশেষ
বুধবার ১৩ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ | ২৭ মে ২০২০

বাগানেই শান্তি খুঁজে পাচ্ছি: জয়া আহসান

শনিবার, মার্চ ২৮, ২০২০

1.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

এ মাসেই কাজের সূত্রে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার কথা ছিল অভিনেত্রী জয়া আহসানের। ‘অর্ধাঙ্গিনী’ ছবির ডাবিংয়ের কাজ বাকি আছে। কিন্তু এ মাস কেন, পরের মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত এখন তার ভারতে যাওয়া অনিশ্চিত।করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন রয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই। এমন অবস্থায় ঘরে কীভাবে সময় কাটছে সে বিষয়ে আনন্দবাজারকে জানিয়েছেন জয়া আহসান।

বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে জয়া বলেন, 'এই একটু আগে আমার বাড়ির নীচে কীটনাশক দিয়ে গেল। এখানে রাস্তায় সেনাও নামানো হয়েছে। তবে মানুষ এত ভয় পেয়ে আছে যে, অকারণে বেশি করে সব জিনিস কিনছে। ফলে দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাচ্ছে হু-হু করে। ‘দিন আনি দিন খাই’ মানুষগুলোর কথা তো ভাবতে হবে। একে এখন সকলের কাজ বন্ধ, ওদের হাতে টাকা নেই। তার মধ্যে আবার জিনিসপত্রের দাম বাড়লে ওদের চলবে কী ভাবে? চাল, ডাল তো অন্তত কিনবে, সেটাও তো কিনতে পারবে না।'

জয়া বলেন, 'আমাদের ছবির জগতেও এমন অনেকেই আছেন, যাদের হাতে এখন প্রায় কিছুই নেই। তাদের জন্য আমি ফান্ড তোলার চেষ্টা করছি। যতটা সাহায্য করা যায়।' ঢাকাকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশ আবর্তিত হয়। কিন্তু ঢাকার বাইরের মানুষ কেমন আছেন, তারা সব কিছু পাচ্ছেন কি না তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী।আপাতত শুটিং বন্ধ। জয়াও গৃহবন্দি। এমনিতে বাড়ির মানুষের সঙ্গেই সময় কাটাতে ভালবাসেন জয়া। কিন্তু এখন চেয়েও তা পারছেন না। জয়ার কথায়, 'বাড়ির মানুষের মাঝে আছি ঠিকই। কিন্তু ভয়ে কোয়ালিটি টাইম কাটাতে পারছি না। সব সময়ে মনের মধ্যে একটা টেনশন। সিনেমা দেখতে দেখতে চোখে জ্বালা ধরে যাচ্ছে। আর ভালও লাগছে না। সকালে উঠে বাগানে চলে যাই। নিজে হাতেই বাগানের সব কিছু করি। মাটি করা, টব বদলানো, গাছ লাগানো... ওখানেই সকালে দু’-তিন ঘণ্টা কেটে যাচ্ছে। বিকেলেও বাগানে গিয়ে গাছে জল দিচ্ছি। এই টালমাটাল সময়ে বাগানেই একটু শান্তি খুঁজে পাচ্ছি। আর আমার পোষ্য আছে, ক্লিয়োপেত্রা আর ওর বন্ধু সল্টি। এই ক’দিন ওরাও আমার সারা দিনের সঙ্গী। মনেপ্রাণে চাইছি যেন তাড়াতাড়ি আমরা সকলেই এই পরিস্থিতি থেকে বেরোতে পারি।'


ঢাকা, শনিবার, মার্চ ২৮, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // কে এইচ এই লেখাটি ৩৭১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন