সর্বশেষ
বুধবার ২৪শে আষাঢ় ১৪২৭ | ০৮ জুলাই ২০২০

প্রতিষ্ঠান খুললেও অনলাইন পাঠদান চলবে

মঙ্গলবার, মে ২৬, ২০২০

edu-minsmall201803081440122018080905451320190302110932.jpg
বিডিলাইভ ডেস্ক :

করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে সরকার। কিন্তু এর পরও অনেক শিক্ষার্থী টেলিভিশনে পাঠদান নিতে পারছে না বলে জানা গেছে।

তাই এসময়ের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ছুটি পরিবর্তী প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম কীভাবে চলবে তার একটি পরিকল্পনা তৈরি করছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। এছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ও রিকভারি প্ল্যান তৈরি করেছে।

মঙ্গলবার (২৬ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘করোনা পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠান খোলে দিলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাস পরিচালনা করা হবে। এছাড়া করোনাকালীন ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কার্যক্রম পরিচালনা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে স্বাস্থবিধি মেইনটেইনের পাশাপাশি যথাসময়ে সবকিছু শেষ করা যায় কি না সেটাও ভাবা হচ্ছে।’ এক্ষেত্রে অনলাইন পাঠদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দেন তিনি।

জানা যায়, বাংলাদেশে কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ক্রমান্বয়ে চালু করার সুবিধার্থে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, স্থাপনা ও পেশার জন্য কারিগরি নির্দেশনা শীর্ষক একটি গাইডলাইন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সেটি অনুযায়ী বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

গাইডলাইনে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে মহামারি প্রতিরোধক মাস্ক, জীবাণুনাশক এবং নন-কন্ট্যাক্ট থার্মোমিটার সংগ্রহ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বহিরাগত শিক্ষাদানকর্মীদের শরীরের তাপমাত্রা নিতে হবে। যাদের শরীরের তাপমাত্রা বেশি পাওয়া যাবে তাদের প্রবেশ নিষেধ করতে হবে।

শ্রেণিকক্ষসহ মেঝে ও ঘরের দরজার হাতল, সিঁড়ির হাতলসহ বিভিন্ন বস্তুর তলপৃষ্ঠ ঘন ঘন পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করতে হবে। শিক্ষাদান কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। হাত ধোয়াসহ অন্যসব স্বাস্থ্যবিধি শক্তিশালী করতে হবে। দ্রুত হাত শুকানো জীবাণুনাশক বা জীবাণুনাশক টিস্যু ব্যবহার করতে হবে। হাঁচি দেওয়ার সময় মুখ ও নাক ঢাকতে টিস্যু বা কনুই ব্যবহার করতে হবে।

করোনা পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠান খুললেও স্বাস্থবিধির উপর বিশেষ জোরের ইঙ্গিত দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমরা গত ৭ এপ্রিল থেকে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছি। তবে এর পরেও অনেক জায়গায় টেলিভিশনে পাঠদান করা যাচ্ছে না। কারন সবার সেই সাপোর্ট নেই। তাই ছুটি পরবর্তী পরিস্থিতিতে আমরা কিভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে নিতে পারে সেটার জন্য একটা রিকভারি প্লান তৈরি করছি।’

সচিব বলেন, ‘স্কুল খুললে প্রথম দেখতে হবে শিশুদের সেফটি এবং নিরাপত্তার বিষয়টি। তাদের হাইজিনের বিষয়টিকে খুব গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। এর জন্য প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছাড়া পাঠদানের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসবে। যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে সেহেতু প্রতিষ্ঠান শ্রেণি কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে সিলেবাস কীভাবে মেইনটেইন করা যাবে। কীভাবে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া যায় সেগুলো বিবেচ্য হবে।’


ঢাকা, মঙ্গলবার, মে ২৬, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // পি ডি এই লেখাটি ১৩২৩ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন