সর্বশেষ
রবিবার ১০ই কার্তিক ১৪২৭ | ২৫ অক্টোবর ২০২০

চলনবিলের সৌন্ধর্য লাল ও সাদা শাপলা

সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০

Shapla.png
সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি :

বাংলাদের বৃহত্তম বিল চলনবিল। যা সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও নাটোর জেলা জুড়ে বিস্তৃত এ বিল। শুস্ক মৌসুমে রবি শস্য ও বোরো চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে বিল পাড়ের মানুষগুলো। ভরা বর্ষায় যখন চারিদিকে শুধু পানি আর পানি দেখে মনে হয় গ্রামগুলো যেন দ্বীপের মত ভাসছে। বর্ষায় বিলের সর্বত্রই অথৈই পানির মধ্যে ঢেউয়ে লাল ও সাদা শাপলাগুলো দোল খায়।মনে হয় যেন চলনবিল তার নব-জীবনে পর্দাপন করেছে।

কর্ম জীবনের শত ব্যস্ততায় মানুষ যখন ক্লান্ত পরিশ্রান্ত ঠিক সেই ক্লান্ত থেকে একটু শান্তির পরশ পেতে মানুষ ছুটে যায় চলনবিলের লাল ও সাদা শাপলার মাঝে।হাটিকুমরুল ও বনপাড়া মহাসড়কের বিশেষ করে ৮নং, ৯নং ও ১০নং ব্রীজ এলাকায় হাজার হাজার ভ্রমন পিয়াসুদের পদচারণায় মুখরিত হয় চলনবিল অঞ্চল। চলনবিলেরর সৌন্ধর্য উপভোগ করতে বিভিন্ন বয়সের নারী, শিশু, পুরুষ আবাল,বৃদ্ধ, বনিতা ছুটে আসেন।

গোটা চলনবিলে সাদা শাপলা অহরহ চোখে পড়লেও লাল শাপলা তেমন চোখে পড়ে না। চলনবিলের কিছু কিছু স্থানে লাল শাপলা ফুটে চলনবিলকে অপরুপ সৌর্ন্ধযে ভরিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে বিলে ফোটা লাল শাপলা সকাল বেলায় দেখে মনে হয় চলনবিল সেজেছে লাল শাড়িতে।

এ সময়ে চলনবিলে আগত দেশি বিদেশি পর্যটকদের মন কেড়ে নেয় বিলের লাল শাপলার অপরুপ দৃশ্য। এক সময়ে চলনবিলের বিস্তৃত এলাকা জুড়ে শাপলা ফুলে ভরপুর থাকলেও এখুন তেমন চোখে পড়ে না। চলনবিলের মধ্যে বিভিন্ন পয়েন্টে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন আর জেলেদের বাদাই জাল টেনে মাছ আহরনের ফলে শাপলা ফুল ফোটার আগেই তার গাছ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে মন-প্রাণ জুড়ানো চলনবিলে শাপলা থাকলেও তার সৌন্দর্য হারাতে বসেছে।


ঢাকা, সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // উ জ এই লেখাটি ৩৫০ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন