সর্বশেষ
রবিবার ১০ই কার্তিক ১৪২৭ | ২৫ অক্টোবর ২০২০

ব্যস্ত সময় পার করছে মিরকাদিমের মৃৎশিল্পীরা

বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০

Protima.jpg
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি :

ব্যস্ত সময় পার করছে মিরকাদিমের মৃৎশিল্পীরা। প্রায় শেষ সময় এসে মাটির কাজ শেষ করে রং তুলির আঁচড়ে দেবী দূর্গাকে অপরুপা সাজে সাজিয়ে তুলতে ব্যস্ত শিল্পীরা। হিন্দু ধমার্লমবীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দূর্গা পূজা।

ইতিমধ্যে মহালয়া কার্যক্রমের মাধ্যমে শুরু হয়েছে পূজা উদযাপনের আমেজ।মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদিম পৌরসভার মৃৎশিল্পীরা দূর্গা প্রতিমা বানাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

তাদের এখন খাওয়া দাওয়ার ও সময় নেই। মাটির কাজ শেষে তুলির আচঁড়ে দূর্গার মায়ের শরীর রাঙ্গিয়ে দিতে মহাব্যস্ত মিরকাদিমের মৃৎশিল্পীরা। মিরকাদিমের প্রতিমার কদর জেলা ছাড়িয়েও দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে গেছে। বিশেষ করে পার্শ্ববতী জেলাগুলোয় চাহিদা অনেক।

মিরকাদিম পৌরসভার মুরমা পালপাড়ার একজন মৃৎশিল্পীর বাড়িতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মহাব্যস্ত প্রায় ৬ জন মৃৎশিল্পী কাজ করছে। কেউ কারো দিকে তাঁকানোর সময় পর্যন্ত নেই। সময়মত অর্ডারের প্রতিমা বুঁঝিয়ে দিতে তাদের যেন কোন নিস্তার নেই। কেউ ব্যস্ত মাটির কাজে, কেউ বা শেষ তুলির আঁচড়ে রাঙ্গিয়ে তুলছে দেবী দূর্গার প্রতিমার শরীর।

অনেক প্রতিমা কাস্টমারের কাছে বুঝিয়ে দিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আবার অনেকেই প্রতিমা নিয়ে যাচ্ছেন রং ও তুলির আচঁড় ছাড়া। ছোট ছোট অনেক কাজ বাকি রেখেই নিয়ে যাচ্ছেন অনেকে। রং ও ছোট ছোট বাকি কাজগুলো যথাস্থানে পৌছানোর পর রং শিল্পী সেখানে গিয়ে রং করে দিয়ে আসে। শ্রেণীভেদে প্রতিমা ৩০ হাজার থেকে এক লক্ষ টাকায় বিনিময় হয়।

মৃৎশিল্পীদের প্রধান মানিক পাল বলেন, আমি প্রায় ৩০ বছর যাবৎ প্রতিমা তৈরির মত পবিত্র দায়িত্ব পালন করে আসছি।প্রায় সারা বছরই টুকটাক প্রতিমা তৈরির কাজ থাকে। শারদীয় দূর্গা পূজা এলে ব্যস্ততা বেড়ে যায়। আমি আমার দুই ছেলে ও ৩ জন কারিগর নিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ করি।

উল্লেখ্য ও আশ্চর্যের বিষয় মানিক পালের ছেলে এমবিএ করেও তার বাবার মৃৎশিল্পের কাজে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। ছেলে আকাশ পাল প্রতিমা রং করার প্রদান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।আকাশ পাল বলেন, আমি গর্বের সাথে মৃৎশিল্পীর কাজ করছি। আমি প্রতিমা তৈরির মত পবিত্র কাজ করতে পেরে খুশি।

আমাদের সমাজে মৃৎশিল্পকে বাঁচাতে আকাশ পালদের মত শিক্ষিত যুবকদের এগিয়ে আসা প্রশংসার যোগ্য।

মহসিন রেজা,মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি। 


ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২০ (বিডিলাইভ২৪) // উ জ এই লেখাটি ৫২১ বার পড়া হয়েছে


মোবাইল থেকে খবর পড়তে অ্যাপস ডাউনলোড করুন